Bangla Islamic Story স্বামী স্ত্রীর রোমান্টিক ইসলামিক ভালোবাসার গল্প

আস্সালামুআলাইকুম কেমন আছেন সবাই আসা করি মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন. আপনাদের মাঝে আমি একটি Bangla Romantic Islamic Golpo রোমান্টিক ইসলামিক গল্প নিয়ে হাজির হয়েছি আসা করি সবার ভালো লাগবে  Bangla Islamic Story স্বামী স্ত্রীর ইসলামিক ভালোবাসার গল্প Bangla Islamic valobashar golpo, আসুন আমাদের পরিবারটাকে আমরা একটি জান্নাতি পরিবার হিসেবে তৈরী করি।  আল্লাহ যেন আমাদের সকলের পরিবারকে জান্নাতি পরিবার হিসেবে গ্রহণ করেন আমীন।

Bangla Islamic Story, রোমান্টিক ইসলামিক ভালোবাসার গল্প, bangla islamic golpo, Bangla Romantic Islamic Golpo, Bangla Islamic valobashar golpo, Islamic love story, ইসলামিক ভালোবাসার গল্প
রোমান্টিক ইসলামিক ভালোবাসার গল্প


বৌটাকে নিয়ে আর পারি না। 
যদি বলি চুলগুলো বেধে ঘুমাও, তেড়ামি করে চুলগুলো ছেড়ে ঘুমাবে । 
যদি বলি আজ খিচুরি রান্না করো ।  
তা করবে না বরং ঐ দিন রুটি বানাবে । সবসময় তেড়ামি করবেই । 
প্রতিদিন দুই একটা তেড়ামি করবেই ।  মাঝে মাঝে ও নিজেই বলে জানো না ?  আমার ঘাড় এর রগ 
একটা তেড়া ?  
ঘাড় এর রগ যে কয়টা তাইতো জানি না !  একটা না কয়টা তেড়া কে জানে ? 
তবে হে নামাজ রোজার ক্ষেত্রে কোন তেড়ামি নাই ।  
নামাজ রোজার দিকে আমার চেয়ে অনেক এগিয়ে।  
তাহাজ্জুদ নামাজ তো নিয়োমিতোই পড়ে, সাথে আমাকে টেনে হিছড়ে তুলে ।  
আমি আর কি করবো ঘুম ঘুম 
চোখ নিয়ে ওর সাথে পড়ি । 
বিয়ের প্রথম রাতেই রাত তিনটার দিকে আমাকে ডাকতেছে ।  এই উঠেন তাহাজ্জুদ পড়বো ।  
আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি । 
কি হলো কি দেখছেন নামাজ পড়বো । 
উঠেন! 
জীবনের প্রথম তাহাজ্জুদ পড়ছি ।  
আমার নামাজে একটুও মন নাই ।  
শুধু ওর কথাই ভাবছি । 
যে মেয়ে বিয়ের প্রথম রাতেই তাহাজ্জুদ পড়তে পারে, 
সে আর যাই হোক আমার কাছে এক টুকরা জান্নাত । 
ফজরের নামাজের পড়ে, পড়লাম আরেক ঝামেলায় । 
কুরআন পড়তে বসেতে বলতেছে আমায় । 
আমি আরো থতমত খেয়ে গেলাম । 
সেই কবে কোরআন শিখে রাখছিলাম এখন কি আর মনে আছে ? 
সত্যি কথাটা বলেই ফেললাম  । 
আসলে আমি অনেক আগে কুরআন শিখেছিলাম পরে আর পড়ি নাই এখন ভুলেই গেছি । 
সমস্যা কি..?
আমি শিখিয়ে দিবো । 
আজকে বাজার থেকে কায়দা কিনে আনবেন যেহেতু আপনার পড়া আছে শিখাতে সহজ হবে । 
আমি আমার বৌ এর দিকে চেয়ে আছি। 
কি দেখছেন? 
দেখছি  কত ভালো একটা মেয়ে তুমি। 
আর বিয়ে হয়েছে আমার মতো এমন একটা লোকের সাথে যে  শুক্রবারের  নামাজও ভালো করে পড়ে না । 
যার মুখে দাড়ির ছিটে ফোটাও নাই৷ 
সমস্যা কি ? 
আগে যা হবার হইছে ।  
এখন নিজেকে চেন্স করে ফেলেন । রাসুল সা. এর সুন্নাতে নিজেকে আবৃত করে ফেলেন । 
আপনার আজ থেকে প্রথম কাজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, দাড়ি রেখে দেওয়া আর কাল থেকে কুরআন শিখা । 
কয়দিন পর কয়টা পানজ্ঞাবি বানাবো আপনার জন্য । 
পানজ্ঞাবি  পাজামা পড়ে অফিস করবেন । 
এতো তাড়াতাড়ি এতো চেন্স ? 
হুম হতে হবে 
দুজনে একসাথে জান্নাতে থাকতে হবে না......?
দ্বীনের পথে চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে গেলে আমি তো আছি হাতটা ধরে টেনে তুলবো । 
দ্বীনের পথে থাকলে আল্লাহ তায়ালা সংসারে বারাকাহ দিয়ে ভরে দিবেন । 
তাহলে আজ থেকেই শুরু হোক জান্নাতে যাবার প্রতিযোগিতা । 
জি ইনশাআল্লাহ। 

-হাসিদুর রহমান
Previous Post
Next Post

post written by:

No comments:

Post a Comment