Wednesday, June 24, 2020

অশ্লীল গল্প, পর্নোগ্রাফি ভিডিও এসব দেখার আগে দয়া করে গল্পটি পড়ুন - Stay away from pornography
অশ্লীল গল্প, পর্নোগ্রাফি ভিডিও এসব দেখার আগে দয়া করে গল্পটি পড়ুন, bangla golpo, kharap kaj theke ture thakun, Stay away from pornography
Stay away from pornography

আসসালামু আলাইকুম

অশ্লীল গল্প, পর্নোগ্রাফি ভিডিও এসব দেখার আগে দয়া করে গল্পটি পড়ুন-

চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে ছেলেটি মোবাইলে কি যেনো একটা দেখছে! অন্ধকার গাঢ় আবছা, কানে ইয়ারফোন।

দেখছে যিনার দৃশ্য। স্বাদ নিচ্ছে তার চোখ। বড় বড় করে তাকিয়ে আছে ছেলেটি দেখছে গোপনে নিকৃষ্ট দৃশ্যগুলি।

নিস্তব্ধ রাত ১১ টা বেজে কুড়ি মিনিট।
নেকেড দেখছে, বা অবৈধ কোনো নারীর সাথে যিনার আলাপ করছে নিভৃতে। কত স্বাদ গুনাহ করতে!

হঠাৎ - আচমকা শরীরটা ঝাকুনি দিয়ে উঠলো! ছেলেটির মনে হলো কে যেনো ঢুকেছে রুমে কিন্তু, রুমের দরজা তো আটকানো। কি ব্যাপার, কে ঢুকলো রুমে অন্ধকারে?
হঠাৎ শরীরটা শিউরে উঠলো।অজানা কেমন একটা শব্দ কানে বাজলো। অনুভব করতে পারলো, কেনো জানি শরীরটা অবস হয়ে যাচ্ছে!

- হঠাৎ বা দিকে দেখলো এটা কি?
- ওমাহ কে এটা? বিশাল বড় কে? আমার পাশে দাড়িয়ে আছে। কিভাবে ঢুকলো রুমে, হায় মাবুদ এ কেমন ভয়ানক মূর্তি দাড়িয়ে আছে আমার সামনে। থর থর করে কাপছে শরীর, হাত থেকে বুকের উপর পড়লো মোবাইলটা।

পর্নোগ্রাফি চলছে পুরোদমে। মোবাইলটা বুকের উপর থেকে পিছলে ছেলেটির গায়ের পাশে গিয়ে পড়লো,কিন্তু চলছে উলঙ্গ নারী - পুরুষের যিনার ভিডিও।

হয়তো মৃত্যুর ডাক পড়ে গেলো তার।
- সে দেখছে মালাকুল মউতকে
দাড়িয়ে আছে মৃত্যু দূত।

একটু আগেও দেহটা ছিলো অনেক গরম, কিন্তু মুহূর্তেই ঝিম মেরে ঠান্ডা হয়ে গেছে। মৃত্যু আজ তার সামনে, মনে মনে ভাবছে হায় আপসোস! একটু যদি তওবা করতে পারতাম! কিন্তু সময় যে আর নেই।

ছেলেটি পাপ ছাড়তে পারেনি এর আগেই ডাক পড়ে গেছে মৃত্যুর। সময় ও পাইনি তওবা করতে। মোবাইলে ছিলো অগনিত উলঙ্গ ভিডিও ছিলো কত রঙ, বেরঙের সুরেলা গান। ডিলিট ও করতে পারেনি তার আগেই মৃত্যু হাজির।

- মৃত্যু ডাকছে তাকে, আসো হে নাপাক আত্মা!
- আসো হে নাপাক জালিম! নফসের উপর অত্যাচারী রুহু।

ভয়ে রুহু দৌড়াদৌড়ি শুরু করলো দেহের আনাচে কানাচে। পা দুটি হিম ঠান্ডা হতে শুরু করলো। কেউ নেই পাশে চোখ উল্টিয়ে ভয়ে, গলাটাও শুকিয়ে গেছে। পাশেই পড়ে আছে নেকেডের মোবাইলটা।

হঠাৎ লাফ দিয়ে উঠে বসে হুম! কেউতো নেই, মৃত্যু দূত চলে গেছে আমাকে সুযোগ দিয়ে।

দুনিয়ায় মানুষ যে অন্তর ভেঙে দেয়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সেই অন্তর ভালোবাসার প্রলেপে জোড়া লাগিয়ে দেয়।

একদিন হুট করেই মৃত্যু চলে আসবে। আমাকে অপ্রস্তুত দেখে মালাকুল মউত কখনোই ফিরে যাবে না। আমাকে আরেকটি বার শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। পরকালের পাথেয় ছাড়াই যখন জীবন।

(বি:দ্র - এটি একটি কল্প কাহিনি)

Tuesday, June 23, 2020

Islamic Love Story দ্বীনদার স্বামী স্ত্রীর ইসলামিক ভালোবাসার গল্প
দ্বীনদার স্বামী স্ত্রীর আল্লাহ তাআলার কাছে দোআ, Islamic Love Story দ্বীনদার স্বামী স্ত্রীর ইসলামিক ভালোবাসার গল্প, Islamic valobashar golpo

Islamic Love Story, ইসলামিক ভালোবাসার গল্প, ভালোবাসার গল্প, islamic golpo, islamic valobasar golpo, দ্বীনদার স্বামী স্ত্রীর ইসলামিক ভালোবাসার গল্প
ইসলামিক ভালোবাসার গল্প


দ্বীনদার স্বামী স্ত্রীর আল্লাহ তাআলার কাছে দোআ 🤲🤲🤲🤲👇👇👇👇

ফজরের আযান হচ্ছে।
স্ত্রীঃ এই উঠো, আযান হচ্ছে। মসজিদে যাবে উঠো।

স্বামীঃ হু আরেক টু ঘুমাই না।

স্ত্রীঃ হ্যা ঘুমাও তুমি আরাম করে,
আর আমি যাচ্ছি পানি আনতে
তোমার মুখে ঢালবো।

স্বামীঃ আরে আরে এই দেখো,
আমি উঠেগিয়েছি।

স্ত্রী মুচকি হেসে, সালাম দিলেন।
স্বামীকে অতঃপর জানতে চাইলেন

স্ত্রীঃ ঘুম কেমন হলো ?

স্বামীঃ হুম সেরকম দারুন ঘুম হয়েছে।
স্বপ্নও দেখেছি একটা।

স্ত্রীঃ ইশ তাই বুঝি! কি দেখলে ?

স্বামীঃ দেখেছি হাফ ডজন
পিচ্ছি বাচ্চা আমাকে আব্বু আব্বু আর„
তোমাকে আম্মু আম্মু বলে চিৎকার করে ডাকছে।

স্ত্রীঃ উঁহু .. হয়েছে অনেক দুষ্টামি।
এখন উঠো জলদি।

স্বামীঃ ইশ দেখো কিভাবে ভাগিয়ে দেয়।

স্ত্রীঃ ভাগবে নাকি পা ধরে টেনে ফেলে দিবো নিচে?

স্বামীঃ দেখো পাগলী রেগে গেছে।
এই নেও উঠে গেলাম।

স্বামী ওযু করে এসে রেডি হয়ে„
নামাজের উদ্দেশে বের হচ্ছিলেন।
স্ত্রী দরজা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন।

স্বামীঃ তুমি অনেক ভালো একটা বউ সেটা জানো"?

স্ত্রীঃ হু হয়েছে দেরী হয়ে যাচ্ছে।

স্বামীঃ এভাবে রোজ
বকা ঝকা করে আমাকে নামাজে পাঠিও কেমন ?

স্ত্রীঃ তারপরেও নিজ থেকে উঠে যাবেনা তাইনা ?

স্বামীঃ সকাল সকাল তোমার ডাকে ঘুম
ভাঙবে তারপর তোমার তাড়া খেয়ে নামাজ
পড়তে যাবো। আর এর জন্য
আমি কখনও নিজ থেকে উঠবো না।

স্ত্রীঃ তোমাকে নামাজের জন্য
রেডি করে পাঠাতে আমার
অনেক ভাল লাগে।

স্বামীঃ এই জন্যই আমি তোমাকে এত ভালবাসি।

স্ত্রীঃ দেরী হচ্ছে কিন্তু জলদি যাও।
আমি চা রেডি করি।

স্বামীঃ আল্লাহ্ হাফেজ

স্ত্রীঃ ফি আমানিল্লাহ।

স্বামী মুচকি হাসি দিয়ে নামাজের উদ্দেশে অন্ধকার পথ বেঁয়ে হেঁটে যায় আর মনে মনে বলে,
"হে আল্লাহ্ কোন ভাবেই আমি তোমার শোকর আদায় করে শেষ করতে পারবোনা। কিসের বিনিময়ে আমাকে এমন জীবন সঙ্গিনী দিয়েছো আমি তাও জানিনা।"

দরজা আটকিয়ে স্ত্রী জায়নামাজে বসে
মুনাজাত শুরু করে,
"হে আল্লাহ্ এই মানুষটার সাথেই যেন
জীবনের শেষ মুহূর্ত টা কাটে
আর আখেরাতের শুরুটাও যেনো হয়
এই মানুষটার হাত ধরে।"

প্রতিটি স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কই যেন এমন মধুময় ও রোমান্টিক হয়-... আমিন।

           ❤ফি আমানিল্লাহ্❤

Monday, June 22, 2020

ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প হুজুর হুজুরনী - Huzur Huzurni Bangla Islamic Golpo

ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প হুজুর হুজুরনী - Huzur Huzurni Bangla Islamic Golpo

ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প হুজুর হুজুরনী - Huzur Huzurni Bangla Islamic Golpo, Islamic golpo, Islamic story, valobashar golpo, shikkhonio golpo
ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প হুজুর হুজুরনী

ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প
হুজুর হুজুরনী
১ম পর্ব --


সবাই পড়বেন আশা করি ভালো লাগবে।
ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রী ইশিতা।
মেধাবী যথেষ্ট। তবে আধুনিক তার চলাফেরা।তাদের ক্লাসে হুজুর টাইপের এক ছাত্র ভর্তি হয়েছে।নাম আবদুল্লাহ।
সে ক্লাসে এসে সাধারনত কোন মেয়ের দিকে তাকায়না। ইশিতা যথেষ্ট সুন্দরী তবুও একবারও ভালো করে তাকিয়ে দেখেনা পর্যন্ত। কিছু জিগ্যাসা করলে আরেকদিকে তাকিয়ে বা নিচের দিকে তাকিয়ে জবাব দেয়। ধীরে ধীরে তার উপর ইশিতার রাগ ও ক্ষোভ চরমে ওঠে। একদিন ক্লাসে সবার সামনে বলেই ফেললো।
ইশিতা: এই হুজুর !তুমি আমার দিকে তাকাও না কেন , আমি কি কম সুন্দরী !
আবদুল্লাহঃ আপনি যত সুন্দরী হন না কেন তাতে আমার কিছু যায় আসেনা , কেননা পর নারীর দিকে তাকানো জায়েজ নয়।
এটা আমার আল্লাহর হুকুম।
আর আপনি যে সৌন্দর্যের লোভ দেখিয়ে আমাকে ডাকছেন , তাকে আমি প্রত্যাখান করছি ঐ আল্লাহর জন্য যে আপনার চেয়েও সুন্দর সুন্দর জিনিস সৃষ্টি করেছেন।
ইশিতাঃ হাহ্ যত্তসব !
একদিন বাংলা পিরিয়ডে স্যার আসেনি। তাই ক্লাসে সবাই গল্প করছে। গল্পের টপিক কেমন ছেলে বিয়ে করতে চাই?
কেমন মেয়ে বিয়ে করতে চাই?
হঠাৎ করে ক্লাসের সবচেয়ে স্মার্ট স্টাইলিশ মেয়েটা বলে উঠল এই সবাই চুপ , আমি এখন একজনকে সামনে এসে বলতে বলব কেমন মেয়ে সে বউ হিসেবে চায় ।
সবাই রাজি?
-সবাই বললো, ইয়েসসসস।
ইশিতাঃ এখন সামনে এসে ভবিষ্যত স্ত্রী সম্পর্কে বলবে আমাদের ক্লাসের হুজুর ছাত্র আবদুল্লাহ !
আবদুল্লাহ আশ্চর্য হয়ে গেল !
বুঝতে পারল তাকে শিক্ষা দেয়ার জন্যই ইশিতা এমন করছে।
আবদুল্লাহ ও সামনে গেল।
আবদুল্লাহঃ আমি এমন একজন স্ত্রীকেই আশা করি , যার কন্ঠস্বর শোনা প্রথম পুরুষ হবো আমি ।
তার সৌন্দর্য দেখা প্রথম পুরুষ হবো আমি।
তার ভালবাসা পাওয়া প্রথম পুরুষ হবো আমি !
ইশিতা হঠাৎ থামিয়ে দিয়ে
" হইছে হুজুর সাহেব এসব স্বপ্নের কথা বাদ দেন , এমন মেয়ে এই দুনিয়ায় নাই , জান্নাতে গিয়া পাবেন !
সবাই অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো যেন .........
আবদুল্লাহ তখন হঠাৎ কুরআনের এই আয়াত তেলাওয়াত করলো
যার অর্থঃ
- “দুশ্চরিত্রা নারী দুশ্চরিত্র পুরুষের জন্য এবং দুশ্চরিত্র পুরুষ দুশ্চরিত্রা নারীর জন্য (উপযুক্ত)। (একইভাবে) সচ্চরিত্রা নারী সচ্চরিত্র পুরুষের জন্য এবং সচ্চরিত্র পুরুষ সচ্চরিত্রা নারীর জন্য (উপযুক্ত)। [ আল কুরআন ]
সবাই চুপ হয়ে গেল ।
আবদুল্লাহ পিছনে এসে বসে পড়ল।
ইশিতা ঠিক করলো ,আবদুল্লাহকে মার খাওয়াবে। যেই ভাবা সেই কাজ , তার কিছু ছেলেবন্ধুকে বলে দিলো তাকে শায়েস্তা করার জন্য।
বিকালে ক্লাস শেষে আবদুল্লাহ যখন বাসার দিকে যাচ্ছিলো , তখন একটা ছেলে এসে তাকে একটা চিপা গলির মধ্যে নিয়ে গেলো ।
এক ছেলে বলে উঠল , কিরে হুজুর, তোর নাকি অনেক ভাব!
যেই মেয়েরে আমরা চাইয়াও পাইনা , সেই মেয়ের দিকে নাকি তুই ফিরেও তাকাসনা! তারে দাম দেসনা! , বেশি ভাব বাড়ছে! না!
আবদুল্লাহঃ গুনাহ থেকে বাঁচা যদি ভাব হয় তাহলে আমি সত্যিই ভাব মারি ।
--কিরে হুজুর খুব চেটাং চেটাং কথা বলিস দেখছি !
আবদুল্লাহঃ দেখো ভাইয়েরা , আমরা হচ্ছি পুরুষ , পুরুষ থাকবে পুরুষের মত , সত্যিকার পুরুষরা কখনো মেয়ের পিছনে ঘুরেনা !
আর তোমরা কি না একটা মেয়ের কথায় আমাকে মারতে আসছো!
লজ্জা হওয়া উচিৎ তোমাদের ।
--কি আমরা সত্যিকার পুরুষ না ! দাড়া দেখাইতাছি মজা ।
আবদুল্লাহঃ
শুনো ভাইয়েরা , নিজেদের এত নিচু করোনা , নিজেকে সম্মানিত করো , আল্লাহর হুকুম মত চলো , তাহলে আর মেয়েদের পিছনে ঘুরা লাগবেনা , সমগ্র দুনিয়া তোমার পিছনে ঘুরবে।
আর মৃত্যুর পর পাবে এমন জান্নাত যেখানে তোমার জন্য থাকবে এমন নারী যাকে কেউ কখনো দেখেনি , যাকে কেউ কখনো স্পর্শ করেনি ।
ছেলেরা আবদুল্লাহকে মারতে যাবে,
হঠাৎ আবদুল্লাহর এর বন্ধু হিমেল গলিতে আসল !
হিমেল আবার এলাকার বড় ভাই !
হিমেলঃ কিরে আবদুল্লাহ! তুই এখানে কি করিস ? কোন ঝামেলা?
সবাই তো ভয়ে থতমত ।
আবদুল্লাহঃ আরে নাহ্!
ছোট ভাই গুলাকে একটূ দ্বীনের দাওয়াত দিতে আসলাম।
হিমেলঃ খুব ভাল , ঐ তোরা হুজুরের কথা ঠিক মত শুনিস, আমার ভাল বন্ধু , নামাজে যাইস তোরা।
সবাই ভীত গলায় বললঃ অবশ্যই ভাই ।
আবদুল্লাহ সবাইকে সালাম দিয়ে চলে আসল।
ইশিতাঃ এই হুজুর ছেলেটা আমার মাথা.........

Next Part

Tuesday, June 16, 2020

Allah Kafi Bangla Gojol Lyrics (আল্লাহ কাফি বাংলা গজল) Kalarab Gojol
Allah Kafi Bangla Gojol Mp3 Lyrics আল্লাহ কাফি বাংলা গজল Kalarab Gojol. Allah Kafi gajal is sung by Mahbubur Rahman. Allah Kafi lyrics are written by Ahmod Abdullah. You will get here bangla Islamic gojol mp3 gojol and bangla gojol. Kolorob gojol

(Audio Gojol Mp3)
Allah Kafi Bangla Gojol (আল্লাহ কাফি বাংলা গজল) Audio Mp3 Gojol (Download Mp3)

Allah Kafi Bangla Gazal Lyrics আল্লাহ কাফি বাংলা গজল:

 Song: Allah Kafi
 Lyric & Tune: Ahmod Abdullah
 Singer: Mahbubur Rahman
 Record Label: Holy Tune Studio

Allah Kafi Kalarab Bangla Gojol Lyrics (আল্লাহ কাফি বাংলা গজল)

কেউ ভালো না বাসলে তাতে - যাই আসে না কিছু,
কেউ ভালো না বাসলে তাতে - যাই আসে না কিছু,
লক্ষ বিপদ কি মুসিবত নিক না যতই পিছু
হর হালতে, খোদার পথে
হর হালতে, খোদার পথে
ইস্তিকামাত যদি থাকি

আল্লাহ কাফি---
আল্লাহ কাফি--- ---  আল্লাহ কাফি---
তাকেই পেলে এক জীবনে
তাকেই পেলে এক জীবনে
আর কি থাকে বাকি
আল্লাহ কাফি---
আল্লাহ কাফি--- --- আল্লাহ কাফি---

ধার ধারিনা তার যে ওজন
স্বার্থ দেখে কাছে ডাকে
অহংকারীর করিনা তোয়াজ
অহংকারীর করিনা তোয়াজ
যাই বলুক না নিন্দুকে
স্বার্থহীন তো মালিক আমার; সব ক্ষমতার তিনিই আধার
স্বার্থহীন তো মালিক আমার; সব ক্ষমতার তিনিই আধার
অন্য সবই ফাকি

আল্লাহ কাফি---
আল্লাহ কাফি--- --- আল্লাহ কাফি---
তাকেই পেলে একজীবনে
তাকেই পেলে একজীবনে
আর কি থাকে বাকি -
আল্লাহ কাফি---
আল্লাহ কাফি--- --- আল্লাহ কাফি---

কেউ উপহাস তুচ্ছ ভাবে
হাজার করে অবহেলা,
কেউ অকারন করুক অপমান; কেউ অকারন করুক অপমান
বাদ সাধুক কেউ পথ চলা ।
সব ভরসা খোদা তা'লায়,
মান অপমান তার ইশারায়,
তাকেই শুধু ডাকি ...

আল্লাহ কাফি---
আল্লাহ কাফি--- --- আল্লাহ কাফি---
তাকেই পেলে একজীবনে; তাকেই পেলে একজীবনে
আর কি থাকে বাকি -
আল্লাহ কাফি---
আল্লাহ কাফি--- --- আল্লাহ কাফি---
আল্লাহ কাফি--- --- আল্লাহ কাফি---

Monday, June 15, 2020

Bangla Islamic Story স্বামী স্ত্রীর রোমান্টিক ইসলামিক ভালোবাসার গল্প
আস্সালামুআলাইকুম কেমন আছেন সবাই আসা করি মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন. আপনাদের মাঝে আমি একটি Bangla Romantic Islamic Golpo রোমান্টিক ইসলামিক গল্প নিয়ে হাজির হয়েছি আসা করি সবার ভালো লাগবে  Bangla Islamic Story স্বামী স্ত্রীর ইসলামিক ভালোবাসার গল্প Bangla Islamic valobashar golpo, আসুন আমাদের পরিবারটাকে আমরা একটি জান্নাতি পরিবার হিসেবে তৈরী করি।  আল্লাহ যেন আমাদের সকলের পরিবারকে জান্নাতি পরিবার হিসেবে গ্রহণ করেন আমীন।

Bangla Islamic Story, রোমান্টিক ইসলামিক ভালোবাসার গল্প, bangla islamic golpo, Bangla Romantic Islamic Golpo, Bangla Islamic valobashar golpo, Islamic love story, ইসলামিক ভালোবাসার গল্প
রোমান্টিক ইসলামিক ভালোবাসার গল্প


বৌটাকে নিয়ে আর পারি না। 
যদি বলি চুলগুলো বেধে ঘুমাও, তেড়ামি করে চুলগুলো ছেড়ে ঘুমাবে । 
যদি বলি আজ খিচুরি রান্না করো ।  
তা করবে না বরং ঐ দিন রুটি বানাবে । সবসময় তেড়ামি করবেই । 
প্রতিদিন দুই একটা তেড়ামি করবেই ।  মাঝে মাঝে ও নিজেই বলে জানো না ?  আমার ঘাড় এর রগ 
একটা তেড়া ?  
ঘাড় এর রগ যে কয়টা তাইতো জানি না !  একটা না কয়টা তেড়া কে জানে ? 
তবে হে নামাজ রোজার ক্ষেত্রে কোন তেড়ামি নাই ।  
নামাজ রোজার দিকে আমার চেয়ে অনেক এগিয়ে।  
তাহাজ্জুদ নামাজ তো নিয়োমিতোই পড়ে, সাথে আমাকে টেনে হিছড়ে তুলে ।  
আমি আর কি করবো ঘুম ঘুম 
চোখ নিয়ে ওর সাথে পড়ি । 
বিয়ের প্রথম রাতেই রাত তিনটার দিকে আমাকে ডাকতেছে ।  এই উঠেন তাহাজ্জুদ পড়বো ।  
আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি । 
কি হলো কি দেখছেন নামাজ পড়বো । 
উঠেন! 
জীবনের প্রথম তাহাজ্জুদ পড়ছি ।  
আমার নামাজে একটুও মন নাই ।  
শুধু ওর কথাই ভাবছি । 
যে মেয়ে বিয়ের প্রথম রাতেই তাহাজ্জুদ পড়তে পারে, 
সে আর যাই হোক আমার কাছে এক টুকরা জান্নাত । 
ফজরের নামাজের পড়ে, পড়লাম আরেক ঝামেলায় । 
কুরআন পড়তে বসেতে বলতেছে আমায় । 
আমি আরো থতমত খেয়ে গেলাম । 
সেই কবে কোরআন শিখে রাখছিলাম এখন কি আর মনে আছে ? 
সত্যি কথাটা বলেই ফেললাম  । 
আসলে আমি অনেক আগে কুরআন শিখেছিলাম পরে আর পড়ি নাই এখন ভুলেই গেছি । 
সমস্যা কি..?
আমি শিখিয়ে দিবো । 
আজকে বাজার থেকে কায়দা কিনে আনবেন যেহেতু আপনার পড়া আছে শিখাতে সহজ হবে । 
আমি আমার বৌ এর দিকে চেয়ে আছি। 
কি দেখছেন? 
দেখছি  কত ভালো একটা মেয়ে তুমি। 
আর বিয়ে হয়েছে আমার মতো এমন একটা লোকের সাথে যে  শুক্রবারের  নামাজও ভালো করে পড়ে না । 
যার মুখে দাড়ির ছিটে ফোটাও নাই৷ 
সমস্যা কি ? 
আগে যা হবার হইছে ।  
এখন নিজেকে চেন্স করে ফেলেন । রাসুল সা. এর সুন্নাতে নিজেকে আবৃত করে ফেলেন । 
আপনার আজ থেকে প্রথম কাজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, দাড়ি রেখে দেওয়া আর কাল থেকে কুরআন শিখা । 
কয়দিন পর কয়টা পানজ্ঞাবি বানাবো আপনার জন্য । 
পানজ্ঞাবি  পাজামা পড়ে অফিস করবেন । 
এতো তাড়াতাড়ি এতো চেন্স ? 
হুম হতে হবে 
দুজনে একসাথে জান্নাতে থাকতে হবে না......?
দ্বীনের পথে চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে গেলে আমি তো আছি হাতটা ধরে টেনে তুলবো । 
দ্বীনের পথে থাকলে আল্লাহ তায়ালা সংসারে বারাকাহ দিয়ে ভরে দিবেন । 
তাহলে আজ থেকেই শুরু হোক জান্নাতে যাবার প্রতিযোগিতা । 
জি ইনশাআল্লাহ। 

-হাসিদুর রহমান